শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

"বইমেলা নয়কো শুধু উৎসব বা মেলা" (লেখক- মীরা চ্যাটার্জী)

"বইমেলা নয়কো শুধু উৎসব বা মেলা"          লেখক- মীরা চ্যাটার্জী 


বইমেলা নয়কো শুধুই উৎসব বা মেলা। বইমেলা হলো সাহিত্য মনের এক অনুভূতির জায়গা । সকল লেখক লেখিকার ভাবনা জগতের খোলা জায়গা। যে জানালা দিয়ে সাহিত্য প্রভা আলো পায়।

বাস্তব ও কল্পনা মিলে মিশে সৃষ্টি করে অন্তরে এক বিশেষ অনুভূতি। 


লেখক লেখিকার কলমে তা ভাষায় হয় প্রকাশিত। যেগুলো বইয়ের আকারে আমরা বইমেলাতে নুতন সংস্করণ রূপে পেয়ে থাকি। 


প্রতিদিন বইমেলা তে উপচে পরা জন মানবের ভিড়। অথচ বই বিক্রির বাজার ক্রমশ মন্দা। লেখক লেখিকারা উৎসাহ পায়না বই প্রকাশিতে।


মাল্টি মিডিয়ার যুগে আবাল বৃদ্ধ বনিতা সকলেই মোবাইল ফোন বা ল্যাপটপে ব্যস্ত। বই পড়ার ইচ্ছা বা নেশা কোনোটাই তাঁদের নেই। ফলস্বরূপ সাহিত্য জগতে ক্রমশ পড়ছে ভাটা। 


পূর্বে মানুষ সারাবছর লাইব্রেরীর সদস্য হয়ে লাইব্রেরি থেকে বই এনে পড়তো, কারন সব বই তো আর কেনা সম্ভব নয়। পূর্বে অনেক সামাজিক অনুষ্ঠানেও বই উপহার হিসাবে দেওয়া হোতো। সেসব তো এখন বলা বাহুল্য।


আমি একজন নতুন লেখিকা। একাকিত্বের যন্ত্রনা ভুলতে বিক্ষুব্ধ বর্ণ সাহিত্য পরিষদের হাত ধরে কিছু লেখার চেষ্টা করি মাত্র। জীবনের অতীত ও বর্তমানের অনুভূতি ও চিন্তাশক্তিকে ভাষায় ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করি। 


বিক্ষুব্ধ বর্ণ সাহিত্য পরিষদ হইতে প্রাপ্ত সনদ আমাকে লেখার প্রেরণা জুগিয়েছে। আমার লেখা কতটা যুক্তিপূর্ণ হচ্ছে তা মাননীয় বিচারক মন্ডলীর বিচারে আমি জানতে বা বুঝতে পারি। তাই বিক্ষুব্ধ বর্ণ সাহিত্য পরিষদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।


বেশিরভাগ মানুষই বইমেলায় ঘুরতে যায়। বই কিনতে নয়। বই পাগলের সংখ্যা এখন খুবই কম। বই না পড়লে মনের পরিপূর্ণ বিকাশ কখনোই সম্ভব নয়। বই মানবের আত্মশুদ্ধি ঘটায় ও চিন্তাশক্তি বাড়ায়। উন্নত চরিত্র গঠনে সহায়তা করে।


তাই সকলে বই কিনুন ও বই পড়ুন এবং বই উপহার দিন। 


বইমেলা ও সাহিত্য জগত কে স্বমহিমায় টিকিয়ে রাখুন। সাহিত্যের অবনতি মানবজাতির লজ্জা ও অবমূল্যায়ন।


ভাষা জগতের ছন্দেই আমি জীবনে আনন্দ উপলব্ধি করি। প্রায় প্রতিদিনই কাজের অবসরে কিছু না কিছু লিখতে চেষ্টা করি। যেদিন সময়ের অভাবে লিখতে না পারি, সেদিন মনের মাঝে কোথাও যেনো এক সুপ্ত ব্যাথা অনুভব করি। আর যেদিন সনদ পাই সেদিন আমি আপ্লুত হই। নিজের সাহিত্য প্রভাকে মেলে ধরার ডানা যেনো বিক্ষুব্ধ বর্ণ সাহিত্য পরিষদ।


বই বিক্রির বাজার মন্দা ক্রমশ 

লেখক লেখিকা ভেবে মরে দুঃখে,

তাঁদের লেখা বুঝি প্রাণ পেলোনা 

আপামর দেশবাসীর জনসমক্ষে।

২টি মন্তব্য:

বিক্ষুব্ধ বর্ণ সাহিত্য পরিষদ পরিবারের সাথে থাকার জন্য আন্তরিক ধন্যাবাদ 🌹