শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬

নারী যখন অত্যাচারী - সর্বানী দাস

 


ধরার মাঝে নারী জাতির দেখি ভিন্ন রূপ,
অত্যাচারী নারীর কাছে স্বয়ং ঈশ্বর চুপ।
 
স্নেহময়ী হলে নারী সংসার রক্ষা হয়,
অত্যাচারীর বদমেজাজে পুরুষ জাতির ভয়।
 
নারী যখন অন্নপূর্ণা দেয় দুমুঠো ভাত,
অত্যাচারী নারীর থেকে দূরত্ব দশ হাত।
 
নারী যখন সত্যবাদী নাইকো মনে দ্বেষ,
অত্যাচারীর লকলকে জিভ কটু কথার শ্লেষ।
 
ভদ্রনারী বুদ্ধিমতী চুপটি করে সয়,
মূর্খনারী মনে করে অপমানেই জয়।
 
সুশিক্ষায় যে বড় হবে রাখবে সবার মান,
মুখ মুখোশে অত্যাচারী দেখায় প্রীতির টান।
 
ভালো বংশ হলেই তবে মানবতায় বাস,
নিম্নমনা নারীর হৃদে ঘৃণা হিংসার চাষ।
 
মানিয়ে নেবে যে নারী পরবে সুখের তাজ,
অল্পবিদ্যা ভয়ংকরীর অহংকারের রাজ।
 
সংস্কার যাদের রক্তে আছে তাদের কাছেই সুখ,
অকৃতজ্ঞ নারী নাগিন, পাপীর দুটি মুখ।

৪টি মন্তব্য:

  1. অশেষ কৃতজ্ঞতা রাখি আমার লেখা পোস্ট করার জন্য

    উত্তরমুছুন
  2. পশ্চিমবঙ্গ এর একটা চোর জোচ্চোর গলাবাজি মহিলা আছে যে কেবলই ক্ষমতা দখল করতে চাইছেন সে যে ভাবেই হোক ।

    উত্তরমুছুন
  3. চমৎকার উপলব্ধি! একটি সুন্দর সংসার গড়তে সুশিক্ষিত ও ধৈর্যশীল নারীর গুরুত্ব অপরিসীম, যা আপনার প্রতিটি ছত্রে স্পষ্ট। বিশেষ করে ‘মুখ ও মুখোশের’ তুলনাটা বেশ বাস্তবসম্মত।

    উত্তরমুছুন
  4. চমৎকার উপলব্ধি! শিক্ষার গুণ ও বংশের সংস্কার কীভাবে একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব গড়ে দেয়, তা আপনার কবিতার পঙ্ক্তিতে পঙ্ক্তিতে স্পষ্ট। খুব সুন্দর লিখেছেন।

    উত্তরমুছুন

বিক্ষুব্ধ বর্ণ সাহিত্য পরিষদ পরিবারের সাথে থাকার জন্য আন্তরিক ধন্যাবাদ 🌹