স্বামী যদি স্ত্রীকে মারধর করে,
তবেই নাকি সে “পুরুষ” নামে পরিচিত হয়!
এটাই নাকি তার পুরুষত্বের প্রমাণ,
এটাই নাকি সমাজের চোখে “মর্দাঙ্গি”র পরিচয়।
কথায় কথায় মায়ের নাম নিয়ে গালি দেওয়া,
স্ত্রীকে খারাপ বংশের বলা,
“বাজারি মেয়ে” বলে অপমান করা,
“কোনো কাজেই আসে না” বলে তুচ্ছ করা,
প্রতিটি কথায় কটূক্তি,
প্রতিটি মুহূর্তে অসম্মান আর অত্যাচার—
এসব করলেই নাকি সে খানদানি নবাব!
স্ত্রীকে দমিয়ে না রাখলে
সমাজের চোখে নাকি সে পুরুষই নয়!
সমাজের সামনে মুখ দেখাবে কীভাবে?
স্বামীকে তো তখন সবাই “নামার্দ” বলবে!
এমন পুরুষত্বের অহংকারের চেয়ে
মানবতা নিয়ে বেঁচে থাকাই শ্রেয়।
কারও মেয়েকে অপমান করার আগে
একবার নিজের মা-বোনের কথাও ভাবো।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন