![]() |
| বিধান চন্দ্র সান্যাল |
সেদিন বিকেলে যখন রোদ আর বৃষ্টির লুকোচুরি খেলা চলছিল,
তখন আমার টেবিলে একটা আস্ত কবিতা এসে বসল।
ডানাভাঙা পাখির মতো, ক্লান্ত, ধূসর।
আমি জিজ্ঞেস করলাম, "তুমি কি সুখী?"
তখন আমার টেবিলে একটা আস্ত কবিতা এসে বসল।
ডানাভাঙা পাখির মতো, ক্লান্ত, ধূসর।
আমি জিজ্ঞেস করলাম, "তুমি কি সুখী?"
কবিতাটি মলিন হেসে বলল, "আমি তো সময়ের আয়না,
মানুষের হাসি দেখলে আমি ঝলমল করি,
আর যখন কারো বুকভরা হাহাকার দেখি,
মানুষের হাসি দেখলে আমি ঝলমল করি,
আর যখন কারো বুকভরা হাহাকার দেখি,
তখন আমিই হয়ে যাই নীল বিষাদের কাব্য ।"
বুঝলাম, কবিতা কোনো নির্দিষ্ট ডেরায় থাকে না।
কখনো প্রেমের জোয়ারে সে সুখী,
বুঝলাম, কবিতা কোনো নির্দিষ্ট ডেরায় থাকে না।
কখনো প্রেমের জোয়ারে সে সুখী,
কখনো বিচ্ছেদের রিক্ততায় সে ভীষণ দুখী।
সে আসলে সুখ আর দুঃখের মাঝখানের একটা সাঁকো,
যাতে ভর দিয়ে কবিরা পার করে অসীম শূন্যতা ।
সেদিন রাতে যখন তারাগুলো নিভে আসছিল,
কবিতাটি আবার ফিসফিস করে বলল,
সে আসলে সুখ আর দুঃখের মাঝখানের একটা সাঁকো,
যাতে ভর দিয়ে কবিরা পার করে অসীম শূন্যতা ।
সেদিন রাতে যখন তারাগুলো নিভে আসছিল,
কবিতাটি আবার ফিসফিস করে বলল,
"আমার কোনো জাত নেই, আমার কোনো সুখ-দুঃখ নেই,
তোমরা ভালোবাসলে আমি আনন্দ,
ঘৃণা করলে আমিই বেদনা।
তোমরা ভালোবাসলে আমি আনন্দ,
ঘৃণা করলে আমিই বেদনা।
আমি শুধু বেঁচে থাকি মানুষের মনের গহীন অরণ্যে

1 টি মন্তব্য:
ভালো লাগলো
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন