ক্যাফিন অম্ল ঠোঁটে
তোমার অনুচ্চারিত সমীকরণ
প্রেম-ভালোবাসা-পিরিতি
কেবলই সময়ের প্রান্তিক উপপাদ্য,
শরীরের ভেতর -
ক্ষণস্থায়ী রাসায়নিক বিক্রিয়া।
দ্রোহনদের নৈরাজ্যের পিরিতির স্রোতে
আমি নিমজ্জিত একটি অনুঘটক,
রক্ত গোলাপের চুম্বনে
পৃথিবীর মানচিত্রে জেগে ওঠা
অগ্নিময় ভূকম্পন আমি।
অক্ষরের মিছিল
শব্দের ব্যারিকেটে
দগ্ধ জীবাশ্ম আমার মন,
জোনাকির শুভ্র স্নিগ্ধ ক্ষুদ্র জ্যোতিতে
তোমার ইশারায়
আমি ছন্দের আলোড়ন তুলি।
তোমার বুকে ভাষার অনাথ ব্যাকরণে
আমি অপ্রকাশিত ভাবনাতত্ত্বের প্রত্নতত্ত্ব খুঁজি।
ধ্রুবতারার আলোক বিন্দুতে
অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াই চলে।
এই দহনপ্রান্তরের উপকূলে
কথার কাননে আমার অকাল বসন্ত।
নিজেকে খুঁড়তে খুঁড়তে
মিথ্যা শপথের প্রাগৈতিহাসিক-
শ্যাওলা ভনিতার বাহুল্যতায়।
অবান্তর তত্ত্ব সাজিয়ে
পলাতক পুরোনো প্রেম ।
ইতিহাসের ধ্বংসস্তূপে
আশ্রিত আমার ভগ্নহৃদয়।
স্মৃতির উচ্ছিষ্টভোগী ক্রীতদাসেরা
অস্থায়ী উপপাদ্যের নিরব উপাখ্যানে ।
প্রেমের স্থাপত্য ইতিহাসের ধ্বংসস্তূপে
সময়ের অন্তর্বর্তী নৈঃশব্দে
ছকভাঙ্গা ফোঁসের তীব্র চিৎকারে।
তোমাকে দেখেছি নিয়তির অন্ধকারে
অঙ্কপত্রে জেগে ওঠা নির্মম জ্যামিতিতে।
ভাঙা হৃদয়ের ব্যাকরণ লিখতে গিয়ে
দেখি আমি জন্মগত যাযাবর।
অস্থিরতার মানচিত্রে আমার নিবাস।
শঙ্খঅধরের নির্বাসনে
বিলীন করেছি নগ্নসুখ।
অন্ধকারে হলাহল বাতাসে।
আমি নিকষ কালো
অদেখা রাত্রির চিত্রপটে
লিখি সত্যিকারের প্ৰেম।
ফোঁসছকের শীতল পরিসংখ্যান থেকে মুক্ত হয়ে
জন্ম নিয়েছে দ্রোহপ্রেমের বুদবুদ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন