![]() |
| সালাম মালিতা |
ধর্মযুদ্ধ
- সালাম মালিতা
ধর্মের সুড়সুড়ি দিয়ে
ধ্বজাধারী কিছু ধর্মরক্ষক-
স্বার্থ পিদিমের সলতে জ্বেলে রাখে,
উঁচু-নীচু, জাত-পাত করে
হিংসা ছড়িয়ে বিভাজন ঘটায়।
জন্মের সময় সৃষ্টিকর্তা
কোনো বিশেষ চিহ্ন দেয়নি-
ধর্ম শনাক্ত করার জন্য,
মুমূর্ষু রোগির জীবন বাঁচাতে
শোনা হয় না রক্তদাতার পরিচয়,
অথচ কারো খাদ্যাভ্যাস
তার বেশ পোশাক নিয়ে-
প্রতি পদে পদে তাকে লাঞ্ছিত করছি।
মিথ্যা পোপাগান্ডা ছড়িয়ে
সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগিয়ে দিচ্ছি...!
তাহলে বলুন তো-
আমরা কী সত্যিই সভ্য জাতি..?
মগজ ধোলাই হতেই
মানবিক সত্তা ভুলে-
ধর্মান্ধ হয়ে জিহাদ ঘোষণা করি,
নিরীহ মানুষকে হত্যা করে
কখনোই সৃষ্টিকর্তাকে পাওয়া যায় না।
আমার ধর্ম শ্রেষ্ঠ-তোমার ধর্ম থেকে
এই বিভেদ সেই অনাদিকাল থেকেই,
অথচ কোনো ধর্মের শক্তি নেই
একজন মানুষকে অমর করে রাখার।
মানবসেবা পরম ধর্ম
কিন্তু আজ রক্ষকই ভক্ষক,
শিষ্য ভক্তির নামে
ধর্মের দোহাই দিয়ে ভোগ করছে।
এ কেমন ধর্মাচরণ...?
এ কেমন মুক্তির পথ....?
এ কেমন ধার্মিক....?
এ কেমন প্রকৃত মানুষ...?
অন্যকে ভীতি দেখানোর পূর্বে
আসুন-
আগে নিজে ধর্মচারী হই,
পরলোকের হিসাবের ভয়ে
মানবধর্ম আত্মস্থ করি।
অবলা মানুষের প্রাণনাশের পরিবর্তে
তার ন্যায্য অধিকার দিই,
আর ধর্মের নামে যুদ্ধ বন্ধ করে
সমতা প্রতিষ্ঠা করি...!

২টি মন্তব্য:
“ধর্মের নামে বিভেদ নয়, মানবতার জয়গানই হোক প্রকৃত ধর্ম— কবিতাটি সেই গভীর বার্তাই শক্তিশালীভাবে তুলে ধরেছে।
"এ কেমন ধর্মাচরণ...?
এ কেমন মুক্তির পথ....?
এ কেমন ধার্মিক....?
এ কেমন প্রকৃত মানুষ...?"
প্রশ্নের মুখে সমাজ,
ধর্মের সুড়সুড়ি দিয়ে বা মগজ ধোলাই দিয়ে যে জিহাদ বা যুদ্ধ ঘোষণা বর্তমান বিশ্বে, তার তীব্র প্রতিবাদে কলমই অস্ত্র।
বলিষ্ঠ কলম
সুন্দর সামাজিক বার্তা
কবির কলম কে কুর্নিশ জানাই 🙏🏻
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন