শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬

ভারত মায়ের মহান সন্তান নেতাজি" (ছোট গল্প) লেখক- মেঘদূত

"ভারত মায়ের মহান সন্তান নেতাজি" (ছোট গল্প) লেখক- মেঘদূত 

সুভাষচন্দ্র বসু ২৩ জানুয়ারি, ১৮৯৭, ওড়িশার কটকে জন্ম গ্রহণ করেন।  পিতা জানকী নাথ বসু। মাতা প্রভাবতী দেবী।

কটকের প্রটেস্ট্যান্ট ইউরোপীয়ান স্কুলে পড়াশাোনা শুরু করে কোলকাতায় প্রেসিডেন্সি কলেজে ভর্তি হন। অসাধারণ মেধাবী ছাত্র ছিলেন। ICS পরীক্ষায় চতুর্থ স্থান প্রাপ্ত হন। দেশের টানে ১৯২১ সালে চাকরি ছেড়ে দেন ও দেশের মুক্তি সংগ্রামে সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণ করেন। 

উনার রাজনৈতিক গুরু চিত্তরঞ্জন দাশ-এর নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে যোগ দেন ও ১৯২৭ সালে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানি ও জাপানের সহযোগিতায় আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন করেন এবং "আজাদ হিন্দ সরকার" প্রতিষ্ঠা করেন। 

"তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেবো" স্লোগান তাঁর সবচেয়ে বড় প্রেরণা ছিল। 

"দিল্লি চলো" এটি ছিল তাঁর বিখ্যাত স্লোগান, যা আজাদ হিন্দ ফৌজের লক্ষ্য ও উদ্দীপনার প্রতীক ছিল।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে 'দেশনায়ক' উপাধি দেন।

তিনি ছিলেন তাঁর তৈরী আজাদ হিন্দ ফৌজ বাহিনীর নয়নের মনি প্রিয় "নেতাজি" ।

সুভাষচন্দ্র বসু ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় যাহা উনার আপোসহীন দেশপ্রেম ও অদম্য সাহসিকতার প্রতীক হয়ে আজও স্মরণীয়।

তিনি ছিলেন একজন অত্যন্ত দূরদর্শী নেতা, যিনি বিশ্বাস করতেন ভারতের স্বাধীনতা অর্জনে সশস্ত্র সংগ্রাম অপরিহার্য। 

ইউরোপে প্রবাসকালে তিনি 'ইন্ডিয়ান স্ট্রাগল'  নামে একটি বই লেখেন।

তাঁর লেখা 'ভারত পথিক'  একটি আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।

১৮ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে তাইওয়ানে বিমান দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, যা আজও একটি রহস্য।

দেশের স্বাধীনতার জন্য তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেন এবং সশস্ত্র সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েন।

নেতাজি ভারত মায়ের অগ্নিপুত্র। তিনি আজও সকল ভারতবাসীর প্রেরণার উৎস। 'নেতাজি' শব্দটি এখনও সবার হৃদয় আন্দোলিত করে। তাঁর অদম্য সাহস, দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের আদর্শ চিরকাল আমাদের অনুপ্রাণিত করবে। 

নেতাজি' নামেই তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

কোন মন্তব্য নেই:

জনপ্রিয় পোস্ট